কিন্তু অনেকে হয়তো এর পুরোপুরি ব্যাবহার জানেন না।
আজ আমি আপনাদের দেখাবো যে কিভাবে আপনি GravityBox দিয়ে আপনার এন্ড্রয়েড কে মনের মত করে সাজাতে পারেন।
যারা অল রেডি যানেন তারা আমার ভুল গুলা ধরিয়ে দিবেন আশা করি।
অনেকেই যানেন যে কিভাবে GravityBox ইন্সটল করতে হয় তবুও অনেকে জানে না তাই প্রথম থেকেই শুরু করছি।
আপনার ফোনটি অবশ্যই রুটেড হতে হবে।
রুট করা না থাকলে আগে রুট করে নিন।
ভয় পাবেন না।
রুট করলে ফোনের কিচ্ছু হবেনা ইনশাআল্লাহ্। ( আমি যত গুলা করেছি এক্টাতেও প্রব্লেম হইনি)।
এবার প্রথমে আপনাকে xposed installer ইন্সটল করতে হবে।
এইবার নিচে থেকে জাদের জেলিবিন তারা জেলিবিন গ্রাভিটি বক্স ডাউনলোড করেন আর যাদের কিটকাট তারা কিটকাট টা ডাউনলোড করেন! আর যাদের Lolipop তারা Lolipop ডাউনলোড করবেন.....
ডাউনলোড করে ইন্সটল করুন ওপেন করবেন না।
এখন Xposed Installer এর মদ্ধে যান Modules এর ভিতর গিয়ে GravityBox এর পাশে টিক দিন।
এইবার Framework এর মদ্ধে গিয়ে Install/Update এ ক্লিক করুন।
ফোন রিবুট করুন।
ব্যাস আপনার GravityBox ইন্সটল হয়ে গেল।
না বুজলে আমার স্কিন সট দেখুন তা হলে বুজবেন সহজে.......
এখন কাস্টুমাইজ করার পালা।
GravityBox এ প্রবেশ করুন।
( শুধু মেইন মেইন গুলা বলবো বাকি গুলা আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন আশা করি)
১. প্রথমে আসুন
a#. staatus bar colors:
এর মাধ্যমে আপনি স্ট্যাটাস বারের কালার চেঞ্জ করতে পারবেন।
b.
এর মাধ্যমে আপনি স্ট্যাটাস বারের ব্ল্যাক সেড মুছে দিতে পারবেন। ওখানে যেই ২টা অপশন আছে দুটাই ১০০% করে দিন ব্যাস কাজ শেষ।
C.
আমরা অনেকে আলাদা নেট স্পীড মনিটর ব্যাবহার করি।
কিন্তু আপনি যদি GravityBox ব্যাবহার করেন তাইলে আপনাকে আর কষ্ট করে আলাদা সফট ব্যাবহার করতে হবেনা।
জাস্ট অপশন এ গিয়ে একটা টীক দিলেই হবে তারপর ইচ্ছা মত সেটিং করে নিন।
২.এইবার আসুন
অনেকে হইত ভাবতেছেন এইডা আবার কি...
কিছু কিছু দামি ফোন আপনি হইত দেখেছেন নিচে কীনার দিয়ে স্ক্রীন এর উপরেই হোম, ব্যাক অ্যান্ড অপশন কী থাকে আপনিও এখন থেকে আপনিও পারবেন তেমনটি।
আমার স্কিন সট দেখেন নিচে দিকে খেল করেন তা হলে ই বুঝবেন....
এই টা সেটিং করতে জাস্ট আমার স্কিন সট অনুযায়ী সেটিং করে নিন তা হলেই হবে..
২.
এখান থেকে আপনি পাওয়ার বাটন প্রেস করলে Rebot,Screensho
৩.।
এর ভিতর থেকে আপনি Allow all rotation e ক্লিক করলে আপনার ফোন চারদিকেই রোটেট হবে।
আরো কিছু সেটিং আছে ইচ্ছা মত করে নিন।
৪.
থেকে আপনি কল কানেক্ট বা কল ডিসকানেক্ট হলে vibration দেউয়া মিনিট এলার্ট ইত্যাদি সেটিং করতে পারবেন।
৫.।
এর ভিতর থেকে আপনি আপানর ফোনের সাউন্ড ৩০ পর্যন্ত করতে পারবেন এবং ভলিয়ম কী তে সব রকম ভলিয়ম অ্যাডজাস্ট করার অপশন পাবেন।
৬.
থেকে আপনি যেকে বাটন কি কাজ করবে সেটা নিরধানর করে দিতে পারেন। আমি যেমন menu key Long-press action এ Go to sleep করে রেখেছি তাই আমাকে আর পাওয়ার বাটন টিপে লাইট অফ করা লাগেনা।
Menu key চেপে ধরে রাখলেই ফোন লক হয়ে যাই।
আর পারছিনা হাত ব্যথা হয়ে গেছে, আপনারা বাকি সেটিং গুলা একটু দেখে নিয়েন।
আশা করি সব বুঝবেন।
আর না বুঝলে আমিতো আছি নাকি।
যদি ভালো লাগে তবে আমদের সংগে থাকবেন..
কনেক কষ্ট করে পোস্ট লিখি আপনারা কেউ কপি করলে Credit দিতে ভুলবেন না..
আজ এতোটুকুই খোদা হাফেজ........
মানুষ মাত্রই ভুল।
তাই ভুল-ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।


No comments
Post a Comment